শনিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • প্রচ্ছদ » ইন্টারভিউ » অহিংস মন্ত্রে উদ্ধুদ্ধ বৌদ্ধরা কিভাবে মানুষ হত্যা করে, প্রশ্ন সুকোমল বড়ুয়ার



অহিংস মন্ত্রে উদ্ধুদ্ধ বৌদ্ধরা কিভাবে মানুষ হত্যা করে, প্রশ্ন সুকোমল বড়ুয়ার


নাঈম ভিশন
০৭.০৯.২০১৭

এনামুল হক, এ জেড ভূঁইয়া আনাস : বৌদ্ধরা শান্তি প্রিয়, মানবিক, হিংসা করে না-এক কথায় তারা অহিংস মন্ত্রে উদ্ধুদ্ধ। কিন্ত রোহিঙ্গাদের সাথে মিয়ানমার বৌদ্ধদের আচরণ অত্যন্ত জঘন্য। এ কারণে আমার বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারীরা অত্যন্ত লজ্জিত। রোহিঙ্গা সংকট দীর্ঘ দিনের। এটি আন্তর্জাতিক সমস্যা। আন্তর্জাতিকভাবেই এ সংকট মোকাবিলা করতে হবে। টিভিএনএ’কে দেওয়া সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেন, বিশ্ব বৌদ্ধ ফেডারেশন বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সভাপতি ড. সুকোমল বড়ুয়া।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের ইতিহাস ২’শত বছরের পুরোনো। তাদেরকে যেভাবে অত্যাচার করা হচ্ছে, তা কোনভাবে মেনে নেওয়া যায় না। জাতিগত সংঘাত কোন অঞ্চলেই কাম্য নয়। এর পেছনে অন্য কোন উদ্দেশ্য রয়েছে কি না খতিয়ে দেখতে হবে। মিয়ানমারে যেই সংকট সৃষ্টি হয়েছে এটা আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জা¡জনক। আমরা এটা কোনভাবে সমর্থন করতে পারি না। তাছাড়া আমরা অহিংস মন্ত্রে উদ্ধুদ্ধ সেখানে কিভাবে একজন মানুষকে হত্যা করা যেতে পারে। মিয়নমারের এই আচরণের আমরা কঠোর প্রতিবাদ জানাই।

সুকোমল বড়ুয়া বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকা উচিত। জাতিসংঘ শান্তি মিশন কি করে? বিশ্বের যেখানে মানবতা লঙ্গিত হবে। সেখানে তা বন্ধের জন্যই তো জাতিসংঘ সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে তারা নিরব কেন?

শুধু মিয়ানমারে নয় বিশ্বের যেখানেই অশান্তি সৃষ্টি হবে সেখানে শান্তি ফিরিয়ে আনা জাতিসংঘের দায়িত্ব। কিন্তু তারা তাদের দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করতে দেখছি না। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীনসহ শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো মানবতার পক্ষে কথা না বলে নিরব থাকা দুঃখ জনক। আজকে বিশ্ব শান্তির জন্য যাদেরকে নোবেল দেওয়া হয়েছে তারাও এই ব্যাপারে কোন ভূমিকা পালন করছে না।

অংসান সুচির নোবেল পুরস্কার সম্পর্কে তিনি বলেন, পৃথিবীর মধ্যে যারা শান্তিতে নোবল পুরস্কার পেয়েছেন তাদের মধ্যে সুচির নোবেল ছিলো সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য। কিন্তু তিনি এই কর্মকান্ডের মাধ্যমে তার নোবেল পুরস্কারকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন।